উচ্চ রক্তচাপ রোগীদের জন পায়চারী এবং ব্যায়াম

উচ্চ রক্তচাপ রোগীদের জন পায়চারী এবং ব্যায়াম

0
SHARE
উচ্চ রক্তচাপ

যদি উচ্চ রক্তচাপ এর কোন রোগী প্রতি দিন প্রায় ৩৫ মিনিট পর্যন্ত পায়চারী করেন, তাহলে সেটা তাঁর রক্তচাপকে কম করতে সহায়ক হবে। এমনিতে এই কাজটা সকালের দিকেই করা উচিত… কিন্তু সময় না থাকলে আপনারা এটা দিনের যেকোন সময় করতে পারেন। নিজের শারীরিক ফিটনেস অনুসারে পায়চারী করার গতি নির্দিষ্ট করুন। খুব বেশী দ্রুত হাটলে রক্তচাপ বেড়ে উঠবে আর আস্তে হাটলে কোন লাভই হবে না। সঠিক পদ্ধতি হচ্ছে এটা যে, এমন গতিতে হাটা উচিত..যে গতিতে হাটার সময় আপনারা কারো সঙ্গে আরাম করে কথা বলতে পারবেন না। এটাকে সাব-ম্যাক্সিমাল স্পীড বলা যেতে পারে।
প্রথমে কিছু সময় পর্যন্ত ধীর গতিতে হেঁটে শরীরকে ওয়ার্ম আপ করে নিন. তারপর শেষের দিকেও মৃদু গতিতে হেটে শরীর ঠান্ডা করে নিন। হাটার সময় খুব বেশী জায়গায় থামা উচিত নয়। প্রায়ই কোথাও যাওয়ার কারণে বা কাজ করার কারণেও এই হাটার নিয়ম ভঙ্গ হয়ে পড়ে। যেখানেই যান, প্রতি দিন কিছুক্ষন হাটুন। যদি ব্রেক হয়ে পড়ে, তাহলে পায়ে হাটাকে ধীরে ধীরে আবার একবার ৩৫ মিনিট পর্যন্ত হাটুন।

আরও জানুন…..

এ্যারোবিক ডান্স, টেবিল টেনিস আর সাইকেলিং ও উচ্চ রক্তচাপ রোগীদের পক্ষে ভাল হয়। এগুলোকে আমরা আইসোটনিক ব্যায়াম বলতে পারি। উচ্চ রক্তচাপ রোগীদের জিমে যাওয়া, ওজন ওঠানো, স্কুকার, ধাক্কা মারার ব্যায়াম এবং কুস্তি ইত্যাদির থেকে দূরে থাকা উচিত।
নিয়মিত পায়চারী এবং ব্যায়াম দ্বারা নিম্নলিখিত লাভ হয়ঃ
শারীরিক লাভঃ
১. বিনা ক্লান্তিতে শারীরিক কার্য করার ক্ষমতা বৃদ্ধি।
২. এ্যাঞ্জইনার ওপরে নিয়ন্ত্রণ
৩. রক্তচাপের উপরে নিয়ন্ত্রণ
৪. রিদমের সামঞ্জস্যে বৃদ্ধি
৫. শরীরের ওজনের ওপরে নিয়ন্ত্রণ
৬. ফ্যাট বিতরণে ‍উন্নতি
৭. ফুসফুসের কার্যক্ষমতায় উন্নতি
৮. শারীরিক অঙ্গগুলোর কার্যক্ষমতায় বৃদ্ধি
৯. বার্ধক্যে হাড় দূর্বল হওয়া থেকে সুরক্ষা
১০. ঠান্ডা গরম সহ্য করার ক্ষমতায় উন্নতি
১১. শরীরের জয়েন্টগুলোর সুরক্ষা
১২. হায়পার এ্যাসিডিটি কমে আসা
১৩. মলত্যাগে উন্নতি
১৪. ত্বকে চমক আসা
১৫. করোনারী ধমনীগুলোয় ঝ্লকেজ হওয়া আটকানো
১৬. হার্ট এ্যাটাক থেকে সুরক্ষা
১৭. জীবনকালে বৃদ্ধি।
জৈব রাসায়নিক লাভঃ
১. খারাপ কোলেষ্ট্রলের মাত্রা কমে আসা
২. ভাল কোলেষ্ট্রলের মাত্রা বৃদ্ধি
৩. ফ্যাটের স্তর কমে আসা
৪. ডায়াবেটিজের উপরে ভাল নিয়ন্ত্রণ
৫. লাগাতার ব্লাড জমার প্রবৃত্তি কমে আসা
৬. হার্মোনের অনুচিত স্রাব থেকে উৎপন্ন চাপ কমে আসা
মানসিক লাভঃ
১. এনার্জী, উৎসুকতা আর সেল্প ইমেজ বেড়ে ওঠা
২. উদ্বেগ আর অবসাদ কমে আসা
৩. মানসিক চাপের সঙ্গে মোকাবিলা করার ক্ষমতায় বৃদ্ধি
৪. উন্নত বিশ্রাম ও নিদ্রা
৫. ঘুমের ওষুধ আর ড্রাগসের ওপরে নির্ভরতা কমে আসা
আর্থ সামাজিক লাভঃ
১. লাভদায়ক উপার্জনের দিকে দ্রুত পরিবর্তন
২. ওষুধের খরচ কমে আসা

More Incoming Search Quarrier:
উচ্চ রক্তচাপ কমানোর ব্যায়াম, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনের উপায়, উচ্চ রক্তচাপ কি, উচ্চ রক্তচাপে করণীয়, উচ্চ রক্তচাপ কমানোর খাবার, উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, উচ্চ রক্তচাপ দ্রুত কমানোর উপায়, উচ্চ রক্তচাপের প্রাথমিক চিকিৎসা, উচ্চ রক্তচাপে করনীয়, উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ রক্তচাপ হলে করনীয়, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের উপায়, উচ্চ রক্তচাপ এর কারন, উচ্চ রক্তচাপ কেন হয়, উচ্চ রক্তচাপ ও খাদ্য, উচ্চ রক্তচাপ ও

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY